Wednesday, December 4, 2019
মূলত আমরা অসঙ্গতির সঙ্গে
নীল আকাশের অনন্তসম্ভব অসহায়তার মধ্যে যে ধাবমান মেঘেদের দেখি , তাদের মতই শুভ্র ফুল নীচেও ফোটে ৷ কিন্তু মানুষের জীবনের সঙ্গে এদের মেলাতে পারি না ৷ বাধা এ সৌন্দর্য শুধু অবিশ্বাস্য রকমের অবিমিশ্র বলে নয়, যেকোনো সৌন্দর্য্যপ্রীতির সোচ্চার প্রকাশ ও নিমগ্নতা, জীবনের গতি শ্লথ করে তোলে এমন অনুভূতিও রয়েছে ৷ এই অসঙ্গতি নিয়ে ভেবেছি মনে মনে, যে মনই মূলত অসঙ্গতির আতুড়ঘর ৷
মনই অসঙ্গত সংস্কার তৈরি করে, বা বাইরে থেকে গ্রহন করে আত্মীভূত করে ভেতরে ভেতরে, আবার সময়ে সময়ে জোয়ারের জলে ডুব দিয়ে সংস্কার মুছেও ফেলে, তখন পড়ে থাকে যুক্তির শৃঙ্খলে সাজানো পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়ার তৃপ্তিকর স্মৃতি ৷ জোয়ারের জল ধুয়ে দেয়, পলিও ফেলে, কিন্তু সবটুকু ধুয়ে যায় না ৷ নিজেকে (প্রধানত যা নিজের স্মৃতিমাত্র ) সংরক্ষন করার চেষ্টা মানুষমাত্রই করে আর এই চেষ্টাই কিছু কিছু সংস্কার লুকিয়ে রাখে এমন কোথাও যেখানে জোয়ার ভাটা খেলে না, বদলে ধিকিধিকি জ্বলে ভুসোকালিমাখা হ্যারিকেনের ক্লান্ত আলো ৷ দৃশ্যমান জগতের স্নিগ্ধ উপদানগুলির সঙ্গে আমাদের অন্তরের অসঙ্গতির পশ্চাৎপটে হয়ত এই সঞ্চিত সংস্কারগুলিই কাজ করে ৷
Subscribe to:
Posts (Atom)